
“একটি দেশের সাংস্কৃতিক কৃষ্টি-কালচার যদি সঠিক ও সমৃদ্ধ থাকে, তবে সেই দেশ অর্থনৈতিকভাবেও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে”— এমন প্রত্যয়ের কথাই তুলে ধরলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।

সম্প্রতি এস এইচ মিডিয়া অনলাইন মাগুরা টক ও মাগুরার টাইমস ২৪-এর সম্পাদক শাহিনুর ইসলামের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি বলেন, সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি জাতির আত্মপরিচয়, মূল্যবোধ ও সৃজনশীল শক্তির ভিত্তি। তাই সংস্কৃতি খাতকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী বলেন, শিল্পী-সাহিত্যিক, নাট্যকর্মী, সংগীতশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জেলা ও তৃণমূল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ছড়িয়ে দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল ধারায় সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মাগুরা জেলার কৃতি সন্তান হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, “আমার জন্মভূমি মাগুরা। এই জেলার মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশা আমার কাছে সবচেয়ে বড় শক্তি। মাগুরাবাসীর সাংস্কৃতিক ও সামগ্রিক উন্নয়নে আমি সব সময় সচেষ্ট থাকবো।”
এ সময় উপস্থিতরা আশা প্রকাশ করেন, মাগুরার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, নাট্যচর্চা, লোকসংগীত ও গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণে মন্ত্রীর বিশেষ ভূমিকা থাকবে। একই সঙ্গে জেলার শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনকে জাতীয় পর্যায়ে আরও দৃশ্যমান করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ ও বিকশিত করতে পারলে তা পর্যটন, সৃজনশীল শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে সংস্কৃতি হবে উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি।
মাগুরাবাসীর প্রত্যাশা— নিজ জেলা থেকে উঠে আসা এই সংস্কৃতিমনা নেতৃত্বের হাত ধরেই বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন দিগন্তে পৌঁছাবে।