
মাগুরার বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা জনাব আলী আহমেদ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জেলার রাজনীতিতে এক অবিচলিত পরিচয় তৈরি করেছেন। মাগুরা সদর উপজেলার রাঘব-দাইড় ইউনিয়নে জন্ম নেওয়া আলী আহমেদ তার পিতার রাজনৈতিক প্রভাবের ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণের পর তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক, সদস্য সচিব এবং আহ্বায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনকে তিনি ত্যাগ ও দৃঢ় মনোভাবের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের হামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও—,বাড়িতে আগুন ধরানো ও মামলা-জট—তিনি কখনও হাল ছাড়েননি। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। খালেদা জিয়ার সঙ্গে পূর্বের সাক্ষাৎ তাঁর রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করেছে।

আলী আহমেদ বর্তমানে তৃণমূলের মধ্যে পরিচ্ছন্ন কমিটি গঠনে সক্রিয় এবং ধানের শীষের কান্ডারী হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় রয়েছেন। ও
সমাজসেবা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা:
আলী আহমেদ মাগুরার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বহু উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করেছেন। তার মূল দিকগুলো হলো:
সমাজসেবা: অসহায় ও দারিদ্র্যগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
বেকারত্ব সমাধান: যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
মাদক নিয়ন্ত্রণ: যুব সমাজকে মাদকের নাশক প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সচেতনতা বৃদ্ধি।
আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন: মাগুরায় নিরাপদ ও সুরক্ষিত সমাজ গড়তে কার্যক্রম গ্রহণ।
মডেল জেলা ও পৌরসভা: আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা সমাধান, স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাগুরাকে একটি উন্নত মডেল জেলা ও পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা।
আলী আহমেদ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মাগুরার জনগণের কল্যাণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবেন। শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক নেতা নয়, বরং মাগুরার সমাজসেবা ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।