
টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টির পর আজ রোববার (২৭ জুলাই) দুপুরের পর থেকে কক্সবাজারে বৃষ্টি বন্ধ রয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে আর কোনো ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা নেই, ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
তবে সাগরে অমাবস্যা ও নিম্নচাপের প্রভাবে দুই থেকে তিন ফুট উঁচু জোয়ারের পানি কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সেন্টমার্টিন, উখিয়া ও টেকনাফ এলাকায় ঢুকে পড়েছে। এতে বেশ কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, কলাতলীসহ ১০টি পয়েন্টে ব্যাপক ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।
মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ অংশে ও উখিয়ার পাটুয়ারটেক এলাকায় নতুন করে ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তরপাড়া ও পশ্চিমাঞ্চলে জোয়ারের পানির তোড়ে রিসোর্ট ও ঘরবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে।
আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান জানান, জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইলের বিভিন্ন গ্রাম, সড়ক, পুকুর ও বসতবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সহায়তা ও পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।
পর্যটকদের সতর্ক থাকতে বলেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ড কর্মীরা। সৈকতে হাঁটুপানির নিচে না নামার অনুরোধ জানানো হলেও কিছু পর্যটক বিপদসীমা অতিক্রম করছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীদের প্রধান দাবি—দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।