
৮ আগস্ট, আগামীকাল, অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার প্রতিবাদের মুখে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ১২ আগস্ট নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে গঠিত হয় এই অন্তর্বর্তী সরকার।
এই এক বছরে সরকারের সাফল্য নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তাঁর ফেসবুকে সরকারের ১২টি বড় সাফল্য তুলে ধরেছেন।সরকারের ১২টি সাফল্য:
১.শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা•গনতান্ত্রিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং সহিংসতার পরিবর্তে পুনর্মিলন সাধন।
২.অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন•খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১৪% থেকে অর্ধেকে নামানো এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ৮.৪৮% এ উন্নীত করা। প্রবাসী আয় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারে রেকর্ড সৃষ্টি।
৩.বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অগ্রগতি•যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক বিষয়ে সফল আলোচনা, হান্ডা গ্রুপের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ।
৪.গণতান্ত্রিক সংস্কার ও জুলাই সনদ•সংস্কার কমিশন গঠন এবং ৩০টির বেশি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা।
৫.জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার•মানবতাবিরোধী অপরাধের স্বচ্ছ বিচার কার্যক্রম শুরু, যা সামগ্রিক বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।
৬.নির্বাচন পরিকল্পনা ও সংস্কার•২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের পরিকল্পনা।
৭.প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সংস্কার•বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পুলিশ সংস্কার নিয়ে নানামুখী উদ্যোগ।
৮.গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ইন্টারনেট অধিকার
৯.দমনমূলক সাইবার আইন বাতিল এবং সাংবাদিকদের জন্য স্বাধীনতা নিশ্চিত।
১০.পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন•বহুমাত্রিক কূটনীতি গড়ে তোলা, নানাবিধ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রসারিত করা।১.প্রবাসী ও শ্রমিকদের অধিকার•ভিসা পদ্ধতি উন্নয়ন এবং বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা।
১১.শহীদ ও আহত বিপ্লবীদের সহায়তা•শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং চিকিৎসাসেবা প্রদান।
১২.সমুদ্র ও অবকাঠামো উন্নয়ন•বঙ্গোপসাগরকে জলভিত্তিক অর্থনীতির মূল সম্পদ ঘোষণা এবং মৎস্য ও শিল্প প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন।এই সাফল্যগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের উন্নয়নের পথে অগ্রসর হবে বলে প্রেস সচিব আশাবাদ ব্যক্ত করেন।