
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ এ প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী নেতা ছাদিক হোসেন (শিকদার)।
তিনি বলেন—
“আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের সমস্যা বুঝতে পারার সক্ষমতা, বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা ও এলামনাই নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে মুহসীন হলের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবন, প্রফেশনাল প্রস্তুতি ও হলের সার্বিক জীবনমান নিশ্চিত করতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার
ছাদিক হোসেন তার অঙ্গীকারে উল্লেখ করেছেন—
শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বদা সচেষ্ট থাকা।
জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী ত্যাগের সাফল্য অক্ষুণ্ণ রেখে শিক্ষার্থীবান্ধব ও বৈষম্যহীন শিক্ষায়তনিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
হলে অপরাজনীতির পুনরাবির্ভাব রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
সিট বণ্টন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং গেস্টরুম-গণরুম সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা।
নতুন ভবন স্থাপন ও সংস্কার কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালানো।
সংগঠনিক ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা
মুহসীন হল ডিবেটিং ক্লাব: সভাপতি (২০২৫-২৬), সাধারণ সম্পাদক (২০২৪-২৫) সহ একাধিক পদে দায়িত্ব পালন।
Dhaka University Debating Society (DUDS): যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (২০২৪-২৫), আন্তর্জাতিক সম্পাদক (২০২৩-২৪)।
তারুণ্যের শালিখা: প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক।
Dhaka University Students Association of Magura: আহ্বায়ক।
তিনি মনে করেন, এসব অভিজ্ঞতা তাকে সরাসরি শিক্ষার্থীদের সাথে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে এবং এলামনাই নেটওয়ার্ক তৈরি করতে সহায়তা করেছে।
ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে
ছাদিক হোসেন (শিকদার) বলেন—
“হল সংসদ নির্বাচন হচ্ছে ডাকসুর ভিত্তি। তাই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে চাই। মুহসীন হলের শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও সমস্যাকে সামনে রেখেই আমি কাজ করে যাবো। আগামীর ডাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের এক অনন্য মঞ্চ হবে— যেখানে হলে অর্জিত অভিজ্ঞতাই কাজে লাগবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমার লক্ষ্য শুধুমাত্র মুহসীন হলের শিক্ষার্থীদের সেবা নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে একটি ইতিবাচক, শিক্ষার্থীবান্ধব ও বৈষম্যহীন পরিবেশ তৈরি করা। আর সেই লক্ষ্যেই ডাকসু নির্বাচনের জন্যও প্রস্তুত আছি।”
শেষে তিনি সকল শুভানুধ্যায়ী, বড় ভাই, বন্ধু ও ছোট ভাইদের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।