
১৮ আগস্ট – আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির নিবেদিত প্রাণ নেতা সামছুল আলম। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি মাগুরার মানুষের কাছে পরিচিত মুখ।
সামছুল আলমের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল ছাত্র রাজনীতিতে। তিনি ছিলেন মাগুরা জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৮৬-১৯৯০) এবং ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মাগুরা জেলার প্রধান সমন্বয়ক। এই সময় তিনি স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
পরবর্তীতে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক সাংসদ ও মন্ত্রী এম মাজেদুল হকের একান্ত সচিব হিসেবে (১৯৯১-১৯৯৬) দায়িত্ব পালন করে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও নীতি-নিষ্ঠা আরও দৃঢ় করেছেন। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় তিনি সর্বদা খেটে খাওয়া ও মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

শিক্ষা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানও উল্লেখযোগ্য। সামছুল আলম গ্রীনফিল্ড স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তার অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে সেই সাথে মাগুরার শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন মাত্রা এসেছে। স্কুলটি শুধুমাত্র শিক্ষার জন্য নয়, বরং সমাজসেবার একটি প্রতীক হিসেবেও স্বীকৃত।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি বলেছেন, তাঁর প্রধান লক্ষ্য হবে—
বেকারত্ব দূরীকরণ: তরুণ প্রজন্মের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ সুবিধা, কৃষিভিত্তিক শিল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
শিক্ষা উন্নয়ন: প্রতিটি গ্রামে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও বিনামূল্যে শিক্ষা।
স্বাস্থ্য সেবা: আধুনিক হাসপাতাল ও ক্লিনিক স্থাপন, গরীব মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ মনোযোগ।
মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল: যুব সমাজকে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন, জিরো টলারেন্স নীতি।
অবকাঠামো উন্নয়ন: গ্রামীণ সড়ক, ব্রিজ, সেচ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ: খোলা দরবার, অনলাইন/ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে জনগণের সমস্যা দ্রুত সমাধান।
তিনি বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার হাতিয়ার নয়, বরং মানুষের সেবার মাধ্যম। ধানের শীষের কান্ডারী হিসেবে আমি চাই মাগুরা হোক কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও শান্তির মডেল জেলা। জনগণের আস্থা ও সহযোগিতা পেলে আমি সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করবো।”
মাগুরার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সামছুল আলমের এই উদ্যোগ ও প্রতিশ্রুতি নতুন আলোচনা সৃষ্টি করছে। আসন্ন নির্বাচন নাগরিকদের কাছে তাঁর রাজনৈতিক দক্ষতা, সৎ নীতি এবং জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে।