রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরনাম :
ফাহমিদা হকের মনোনয়ন: সমালোচনার জবাবে যা বললেন জিল্লুর রহমান পরিবেশ রক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু এসএসসি পরীক্ষার দ্বারপ্রান্তে শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষক আফরোজা খাতুনের মমতাভরা বার্তা কিংবদন্তি কণ্ঠের বিদায়: আশা ভোঁসলেকে ঘিরে স্মৃতি আর আবেগ মাগুরায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক ও জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ মাগুরায় স্পোর্টস একাডেমির যাত্রা শুরু, ক্রীড়া উন্নয়নে জোরালো দাবি মাগুরার আড়পাড়ায় অনিয়মের ছড়াছড়ি, ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মাগুরায় খাল পুনঃখনন শুরু: জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা সুপারিশে অনুমতি, বাস্তবে কেলেঙ্কারি—লটারির টাকা নিয়ে উধাও বিএনপি নেতা বেসরকারি খাতের ‘উপদেষ্টা পরিষদ’ নয়—বিভ্রান্তি দূর করল বিডা

১৫ বছর যে বিএনপির জন্য লড়াই করলাম, তারাই এখন ধাক্কা দেয় – রুমিন ফারহানা

মাগুরা টাইমস ডেস্ক:

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন,
“১৫ বছর যে বিএনপির জন্য লড়াই করলাম, আজ তারাই আমাকে ধাক্কা দেয়।”

রোববার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটরিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তাবিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দাবি-আপত্তি আবেদনের শুনানিতে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হাতাহাতির প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন—
“উনি পরিচিত মুখ নন, তিনি জামায়াত নাকি এনসিপি আমার জানা নেই। তবে তার লোকজন প্রথম আমাকে ধাক্কা দেয়। আমি তো নারী, আমার লোকজন বসে থাকবে কেন? আমাকে ও আমার কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, তখন তারা জবাব দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন—
“আমরা সবসময় বলেছি ২০০৮ সালের আগের সীমানায় ফিরে যেতে চাই। কারণ মাঝের ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার নিজেদের সুবিধামতো সীমানা পরিবর্তন করেছে। সেই সীমানা আমরা মানি না। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ারও ইচ্ছা ছিল পূর্বের সীমানায় ফেরা।”

শুনানির পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন—
“অত্যন্ত দুঃখজনক হলো, নির্বাচন কমিশনের ভেতরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আমি একজন আইনজীবী হিসেবে নিজের কেস নিজেই প্রেজেন্ট করতে চেয়েছিলাম। আশা করেছিলাম কমিশনের সম্মান রক্ষার্থে কোনো গুণ্ডাপাণ্ডা ঢুকবে না। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের একজন প্রার্থী তার সঙ্গে ২০-২৫ জন লোক নিয়ে ঢুকে অশোভন আচরণ করেছেন। এটি কমিশনের ভাবমূর্তি, গাম্ভীর্য ও সম্মানের সঙ্গে যায় না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এখনও নির্বাচন শুরু হয়নি, অথচ শুধু সীমানা নির্ধারণের বিষয় নিয়ে এলাকার মানুষকে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করা হচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ