
মাগুরায় “জুলাই পুনর্জাগরণে সবুজ উৎসব ২০২৫” উপলক্ষে বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ৭টি ক্যাটাগরিতে পদক প্রদান করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ও সবুজায়ন আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পেয়ে উদ্দীপিত হয়েছে পুরস্কারপ্রাপ্তরা।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ৩টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন মাগুরা ও ‘পরিবর্তনে আমরাই’ সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. হুসাইন শওকত। তিনি বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা পদক ও ক্রেস্ট তুলে দেন। জেলা প্রশাসক অহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল কাদের, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুবুল হক, জেলা সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, মাগুরা প্রেসক্লাব সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক এবং ‘পরিবর্তনে আমরাই’ সংগঠনের পরিচালক নাহিদুর রহমান দুর্জয় প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সাতটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন—
সেরা প্রতিষ্ঠান (সরকারি): সিভিল সার্জন অফিস, মাগুরা
সেরা প্রতিষ্ঠান (বেসরকারি): মাগুরা প্রেসক্লাব
সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (প্রাথমিক): কুমারকোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাধ্যমিক): আড়পাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়
সেরা সংগঠন: প্রতিশ্রুতি উন্নয়ন সংস্থা
ব্যক্তি পর্যায়ে সেরা বৃক্ষপ্রেমী: আশীষ কুমার দে মন্ডল
সেরা কন্টেন্ট ক্রিয়েটার: মো. সাজ্জাদ হোসেন

প্রধান অতিথি মো. হুসাইন শওকত বলেন,
“সবুজ পরিবেশ আমাদের টিকে থাকার অন্যতম শর্ত। এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।”
জেলা প্রশাসক অহিদুল ইসলাম জানান,
“মাগুরাকে সবুজের শহরে রূপান্তর করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
মাগুরা প্রেসক্লাবের অবদান
স্থানীয় সাংবাদিকদের এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ রক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিয়ে আসছে। বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ, সবুজায়ন নিয়ে সংবাদ প্রচার এবং জনসচেতনতা তৈরিতে তাদের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এজন্যই এবারের উৎসবে “সেরা প্রতিষ্ঠান (বেসরকারি)” ক্যাটাগরিতে মাগুরা প্রেসক্লাবকে বৃক্ষরোপণ পদকে সম্মানিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা জেলার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণের অঙ্গীকার করেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে পরিবেশ সচেতনতার আহ্বান ও সবুজায়নকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।