শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরনাম :
মাগুরার মহম্মদপুরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: অনিয়মে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা বেলনগরের কৃতি সার্ভেয়ার ও ফুটবলার মোঃ ওলিয়ার রহমান (আক্কাস মোল্লা) (আমিন) আর নেই মাগুরায় যাত্রা শুরু করলো “মাগুরা পেইন্ট গার্ডেন” এক ছাদের নিচে মিলছে দেশি-বিদেশি পাঁচ শীর্ষ পেইন্ট ব্র্যান্ডের সেবা আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে মাগুরায় পশু হাটে নিরাপত্তা জোরদার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের সাথে ইজারাদার ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা পুলিশ সপ্তাহ–২০২৬ এ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে সাফল্য: মাগুরা জেলা পুলিশের অর্জন মাগুরায় অনুজ নাট্যাঙ্গনের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মাগুরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত মাগুরা জেলা যুবদল সভাপতি কল্লোলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মাগুরায় পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদের দ্রুত পদক্ষেপে কলার হাট কেন্দ্রিক সম্ভাব্য সংঘর্ষ নস্যাৎ মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি অধিনায়ক আকবর হোসেনের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নিউমার্কেটে দেশীয় অস্ত্রের আস্তানা: সেনা অভিযানে উদ্ধার ১১০০ অস্ত্র, বিনা খরচে পৌঁছে যেত কিশোর গ্যাংয়ে

মাগুরা টাইমস ডেস্ক

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ১ হাজার ১০০টিরও বেশি দেশীয় ধারালো অস্ত্র। সন্ত্রাস, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে ব্যবহৃত এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ছুরি ও সামুরাই চাপাতি। অভিযানে তিনটি দোকান থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে, যাঁরা অবৈধ অস্ত্র বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

গতকাল শনিবার দিনভর সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড এই অভিযান পরিচালনা করে। রাতে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ আর্মি ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেড অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিম আহমেদ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

গোপনে বিক্রি, বিনা মূল্যে হোম ডেলিভারি

লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিম আহমেদ জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও গ্রেপ্তার কয়েকজন সন্ত্রাসীর জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে—এ ধরনের ধারালো অস্ত্র নিউমার্কেট এলাকা থেকে গোপনে বিক্রি ও ভাড়া দেওয়া হতো। এমনকি গ্রাহকদের কাছে বিনা মূল্যে হোম ডেলিভারিও দেওয়া হতো। প্রধান ক্রেতারা ছিলেন কিশোর গ্যাং সদস্যরা।

তিনি আরও জানান, এসব অস্ত্র গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার হয় না, বরং গত কয়েক মাসে সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ড, আহত করা, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছে। দোকানিরা সামনের সারিতে সাধারণ পণ্য বিক্রি করলেও গুদামে অস্ত্র লুকিয়ে রাখতেন এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে সরবরাহ করতেন।

পূর্বের অভিযানের পরিসংখ্যান

আজকের অভিযানের বাইরে গত সময়ে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৩০৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, প্রায় ৮ হাজার ২১৫ রাউন্ড গুলি, এবং ৫৩৮টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এছাড়া আদাবর, শেরেবাংলা ও মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক কারবার ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত ৮১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্ত ও সতর্কবার্তা

উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অপরাধীদের কোনো যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে—কেউ ধারালো অস্ত্র বিক্রি বা সরবরাহ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ