

ঢাকা: বাংলাদেশে এক সময় মার্কিন কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্রাক্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বিশেষ দিন কাটালেন বাংলাদেশের গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক স্বনামধন্য সাংবাদিক জনপ্রিয় টকশো তৃতীয় মাত্রার উপস্থাপক ও পরিচালক জনাব জিল্লুর রহমান।
তবে এই দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ নয়, বরং বন্ধুত্ব, স্মৃতি ও ভবিষ্যত ভাবনার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছিল।
পিটার হাস, যিনি বর্তমানে Strategic Advisor, Excelerate Energy, Inc. এবং বাংলাদেশের সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত, তাঁর সঙ্গে আলাপে উঠে এলো কূটনীতি, জ্বালানি খাত ও কৌশলগত দিকের বিশ্লেষণ, যা বিশ্ব ভবিষ্যৎকে রূপ দিচ্ছে।
হেলেন লাফেভ, বর্তমানে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের Bureau of Legislative Affairs (H)-এর Acting Deputy Assistant Secretary এবং ঢাকায় সাবেক Deputy Chief of Mission, স্মৃতিচারণের পাশাপাশি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন।
ম্যাথিউ বে, যিনি এক সময় বাংলাদেশে মার্কিন কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেছেন এবং বর্তমানে অন্য দেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, পেশাগত পরিবর্তন এবং সীমান্ত পেরিয়ে টিকে থাকা মানবিক বন্ধনের কথা শেয়ার করেছেন।
এদিকে, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জিল্লুর রহমান ওয়াশিংটন ডিসিতে বসে এসব প্রাক্তন কূটনীতিকদের সঙ্গে সময় কাটানোর পোস্ট ফেসবুকে শেয়ার করলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তাঁর সহধর্মিনী হামিদা হক, যিনি রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও লেখিকা হিসেবেও পরিচিত, সেই পোস্ট শেয়ার করে লিখেছেন— “এখন খবর হবে! এই দেখো সবাই, ওয়াশিংটন ডিসিতে বসে জিল্লূর র হমান কি সব করে বেড়াচ্ছে।”
হামিদা হকের এই শেয়ারের পর তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে নেগেটিভ ও পজিটিভ—দুই ধরনের মন্তব্যই আসতে থাকে। অনেকেই কৌতূহল, সমালোচনা ও সমর্থন মিলিয়ে নানা মতামত জানিয়েছেন।
প্রতিটি আলাপ ও প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করেছে যে, রাষ্ট্রসেবার সূত্রে তৈরি হওয়া সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ—উভয়ই মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। এ ধরনের দিন মনে করিয়ে দেয়, কেবল পেশাগত পরিচয় নয়, বরং আন্তরিক বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও গভীর হতে পারে।