বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরনাম :
মাগুরার মহম্মদপুরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: অনিয়মে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা বেলনগরের কৃতি সার্ভেয়ার ও ফুটবলার মোঃ ওলিয়ার রহমান (আক্কাস মোল্লা) (আমিন) আর নেই মাগুরায় যাত্রা শুরু করলো “মাগুরা পেইন্ট গার্ডেন” এক ছাদের নিচে মিলছে দেশি-বিদেশি পাঁচ শীর্ষ পেইন্ট ব্র্যান্ডের সেবা আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে মাগুরায় পশু হাটে নিরাপত্তা জোরদার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের সাথে ইজারাদার ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা পুলিশ সপ্তাহ–২০২৬ এ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে সাফল্য: মাগুরা জেলা পুলিশের অর্জন মাগুরায় অনুজ নাট্যাঙ্গনের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মাগুরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত মাগুরা জেলা যুবদল সভাপতি কল্লোলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মাগুরায় পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদের দ্রুত পদক্ষেপে কলার হাট কেন্দ্রিক সম্ভাব্য সংঘর্ষ নস্যাৎ মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি অধিনায়ক আকবর হোসেনের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আওয়ামী লীগ করেও আওয়ামী লীগের শাসনামলেই নির্যাতনের শিকার—কারাগার থেকেই প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান

তৌহিদ মাগুরা প্রতিনিধি

কারাগারে থেকেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি কুতুবুল্লাহ হোসেন মিয়া কুটি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তিনি রাজনৈতিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে বাড়ি ফেরার পথে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি শ্রীকোল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন মিঞার ছেলে।

কুটির ছোট ভাই শরিয়ত উল্লাহ রাজন বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে—এই প্রত্যাশা থেকেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে কোনো মামলা ছাড়াই আমার ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফলে বাধ্য হয়ে সোমবার গোপনে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কুটি ২০০৮ সালের আগে যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও দীর্ঘ দেড়যুগ ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের পরিবারের কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। বরং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও আমরা নানা ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুটি মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। সে সময় জনগণের ব্যাপক সমর্থন থাকলেও ফল ভিন্নভাবে ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরবর্তীতে পারিবারিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে শরিয়ত উল্লাহ রাজন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং কুটিও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দেওয়া হয়, যেগুলোতে তারা জামিনে আছেন বলে জানান তিনি।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে অতীতের মতো এবারও এলাকার জনগণ পাশে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে কুটির পরিবা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ