শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরনাম :
ফাহমিদা হকের মনোনয়ন: সমালোচনার জবাবে যা বললেন জিল্লুর রহমান পরিবেশ রক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি: স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু এসএসসি পরীক্ষার দ্বারপ্রান্তে শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষক আফরোজা খাতুনের মমতাভরা বার্তা কিংবদন্তি কণ্ঠের বিদায়: আশা ভোঁসলেকে ঘিরে স্মৃতি আর আবেগ মাগুরায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক ও জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ মাগুরায় স্পোর্টস একাডেমির যাত্রা শুরু, ক্রীড়া উন্নয়নে জোরালো দাবি মাগুরার আড়পাড়ায় অনিয়মের ছড়াছড়ি, ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মাগুরায় খাল পুনঃখনন শুরু: জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা সুপারিশে অনুমতি, বাস্তবে কেলেঙ্কারি—লটারির টাকা নিয়ে উধাও বিএনপি নেতা বেসরকারি খাতের ‘উপদেষ্টা পরিষদ’ নয়—বিভ্রান্তি দূর করল বিডা

নারী-তরুণ নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির ডাক: সিজিএসের গোলটেবিল সংলাপে ঐক্য অঙ্গীকার

মাগুরা টাইমস ডেস্ক

ঢাকা: নারী ও তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গঠনের লক্ষ্যে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো গোলটেবিল সংলাপ “অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি: নারী ও তরুণ নেতৃত্বের অভিযাত্রা”।

সংলাপটির আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস), সহযোগিতায় ছিল বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস দূতাবাস। সভাপতিত্ব করেন সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী। সম্মানিত অতিথি ছিলেন নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল ও নির্বাচন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. বদিউল আলম মজুমদার।রাজনীতির বিভিন্ন দল, নাগরিক সমাজ, একাডেমিয়া ও আইন অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ আলোচনায় অংশ নিয়ে নারী ও তরুণদের রাজনৈতিক নেতৃত্বে সম্পৃক্ত করার পথে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, সম্ভাবনা ও নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, নারী ও তরুণরা সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানে রূপান্তরমূলক ভূমিকা রেখেছে, কিন্তু আন্দোলনের পর তাদেরকে sidelined করে রাখা রাজনৈতিক অঙ্গনে বৈষম্যের প্রতিফলন।

আলোচনায় বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ পার্টি, জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, গণ অধিকার পরিষদ, জাসদসহ বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, আইনজীবী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং নারী নেতৃত্ব বিষয়ক সংগঠনগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপের সমাপ্তি ঘটে “অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রগঠনের ঘোষণা”–তে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে। ঘোষণায় রাজনৈতিক নেতারা স্বেচ্ছায় প্রতিশ্রুতি দেন নারী ও তরুণদের জন্য অধিক অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে। যদিও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এতে স্বাক্ষর করেনি, বাকি সবাই এই অঙ্গীকারে একমত হন।

রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বলেন, “অন্তর্ভুক্তি” ও “সংলাপ” – এ দুটি শব্দই বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অপরিহার্য। নারী, তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি শাসন কাঠামো স্থিতিশীল হবে না।

ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “নারীরা বোঝা নয়, তাদের উপর বিনিয়োগ করতে হবে। নারীদের জন্য সংসদে রোটেশনাল সিস্টেমে ১০০ আসন নিশ্চিত করা যেতে পারে।”

সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, “আন্দোলনে নারী ও তরুণদের যে আত্মত্যাগ, তার প্রতিফলন রাজনীতিতে দেখা যায় না। অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি নিশ্চিত করা রাজনৈতিক দলের ওপর নির্ভর করছে।”

বক্তারা আরও বলেন, সংরক্ষিত আসন কেবল প্রতীকী ক্ষমতায়ন নয়; সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি প্রণয়নে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেই প্রকৃত অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ