বাংলাদেশ ফাইনালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও কায়সার হামিদ লোভন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি লিখেছেন, বিগত পতিত সরকার বারবার এক ধরনের বয়ানের ফাঁদে আটকে ছিল। ভিন্নমতালম্বীদের জামাত-শিবির ট্যাগ দেওয়া, ৭১–এর অপশক্তি বা পরাজিত শক্তি বলে দাগিয়ে দেওয়া, যাকে-তাকে রাজাকার–আলবদর বলে গালি দেওয়া এবং নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করে সব অন্যায়কে হালাল করার প্রবণতা—এসব কারণেই তারা সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
লেখায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পদ-পদবি থেকে শুরু করে সব সুযোগ-সুবিধার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বেপরোয়া ব্যবহার, ভিন্নমতকে জঙ্গি–সন্ত্রাসী বানিয়ে দেওয়া, প্রজন্মের নামে কাউকে রাজাকারের সন্তান হিসেবে অপমান করা—এসব মানুষের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। দিনশেষে মানুষ আর বয়ান খেতে চায় না।”
ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গেও তিনি মন্তব্য করেন—হিজাবের ছবি বিকৃত করা কিংবা পুরনো সরকারের ভাঙা রেকর্ডের মতো “অপশক্তি” বা “পরাজিত শক্তি”র বুলি আওড়ানো সাধারণ শিক্ষার্থীরা মোটেও ভালোভাবে নেয়নি।
কায়সার হামিদ লোভন বলেন, “মানুষ চায় ইতিবাচক রাজনীতি, চায় চরিত্র, চায় কল্যাণমুখী নেতৃত্ব। ব্যক্তিত্ব দিয়েই মন জয় হয়, ট্যাগ আর বিভাজনের রাজনীতি দিয়ে নয়।”
মাগুরা টাইমস ২৪–এর বিশেষ সাক্ষাৎকারে
শেষে তরুণ প্রজন্ম ও আগামী দিনের নেতাদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দেন—“যদি রাজনীতি ইতিবাচক না হয়, তবে সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে দেরি হবে না।”