বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরনাম :
মাগুরার মহম্মদপুরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: অনিয়মে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা বেলনগরের কৃতি সার্ভেয়ার ও ফুটবলার মোঃ ওলিয়ার রহমান (আক্কাস মোল্লা) (আমিন) আর নেই মাগুরায় যাত্রা শুরু করলো “মাগুরা পেইন্ট গার্ডেন” এক ছাদের নিচে মিলছে দেশি-বিদেশি পাঁচ শীর্ষ পেইন্ট ব্র্যান্ডের সেবা আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে মাগুরায় পশু হাটে নিরাপত্তা জোরদার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের সাথে ইজারাদার ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা পুলিশ সপ্তাহ–২০২৬ এ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে সাফল্য: মাগুরা জেলা পুলিশের অর্জন মাগুরায় অনুজ নাট্যাঙ্গনের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মাগুরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত মাগুরা জেলা যুবদল সভাপতি কল্লোলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মাগুরায় পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদের দ্রুত পদক্ষেপে কলার হাট কেন্দ্রিক সম্ভাব্য সংঘর্ষ নস্যাৎ মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি অধিনায়ক আকবর হোসেনের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

১৫ বছর ধরে একটা গুজব আমাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ বছর আগে প্রথম শুনেছিলেন যে তিনি নাকি জামায়াতপন্থি এবং সাবেক শিবিরকর্মী। বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ গুজব। তিনি বলেন, “আমার পরিবার সুফি মুসলমান, চিন্তা ও বিশ্বাসে আমরা জামায়াতের একেবারে বিপরীত।”

এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ২০১০ সালে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) নির্বাচনে দাঁড়ানোর সময় এই গুজব ছড়ানো শুরু হয়। প্রতিপক্ষ তার সাংবাদিকতাকে নয়, ধর্মীয় পরিচয়কে টার্গেট করে। বলা হয় তিনি জামায়াত-শিবিরের লোক।

“প্রথমে গুরুত্ব দিইনি। ভেবেছিলাম, সত্য একদিন বের হয়ে আসবে। কিন্তু নির্বাচনের দিন দেখলাম, যাদের একসময় সাহায্য করেছি, তারাই চোখ ফিরিয়ে নিল,”—বলেছেন শফিকুল।

তিনি জানান, এরপর থেকে প্রায়ই যখনই তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন বা অন্যায় নিয়ে লেখেন, তখনই আবার এই গুজব মাথাচাড়া দেয়। অনেকে বলেন, “তিনি ইসলামপন্থিদের পক্ষ নিচ্ছেন”, শুধু এই কারণে যে তিনি নামাজ পড়েন বা তার স্ত্রী হিজাব পরেন।

তার মতে, সমাজে এখনও ‘ট্যাগিং সংস্কৃতি’ আছে—যেখানে প্রমাণ ছাড়াই কাউকে কোনো দল বা গোষ্ঠীর লোক বলে রটিয়ে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য একটাই—কাউকে বদনাম করা বা চুপ করিয়ে দেওয়া।

তিনি বলেন, “আপনি যদি নামাজি হন এবং আওয়ামী লীগ করেন, সমস্যা নেই। কিন্তু আপনি নামাজি হয়ে বিরোধী মত পোষণ করলে, তখনই ট্যাগ লাগানো শুরু হয়।”

শেষে তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে অনেক মেধাবী তরুণের ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়েছে। আশা করি, এই ভয় ও গুজবের সংস্কৃতি একদিন শেষ হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ